ব্রেকিং নিউজ
শেখ হাসিনা না থাকলে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সঠিক উপায় পেতাম না।’ -চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী

শেখ হাসিনা না থাকলে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সঠিক উপায় পেতাম না।’ -চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী

আজকে সারা পৃথিবীতে কিন্তু করোনা সমস্যা। এই মহামারীতে সবাই আতংকিত। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট কিন্তু ভিন্ন। বাংলাদেশে করোনা মহামারী আসার পরে আমরা একটি ঝড়, একটি নদী ভাঙ্গন, একটি বন্যা মোকাবেলা করেছি। একই সময় কিন্তু চারটি দূর্যোগ এই সরকার মোকাবেলা করছে।আজকে নদী ভাঙ্গনে অনেক এলাকার স্কুল ভেঙ্গে যাচ্ছে, মানুষের ঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে, বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আজকে অনেক এলাকায় মানুষ পানিবন্দি। আজকে এই যে ঈদ উপলক্ষে মানুষ কোরবানি দিবে সেই সম্পদও কিন্তু নিঃস্বেস হয়ে যাচ্ছে। আমাদের অনেক ফসলও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই দুর্যোগকালীনও ত্রাণের অভাবে কোনো মানুষ না খেয়ে মারা যায়নি। আর এটিই হচ্ছে বর্তমান সরকারের সফলতা।

‘আজ বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের কারণেই এই করোনা মহামারি সময়েও ব্যবসা—বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানসহ আরও অন্যান্য কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। শেখ হাসিনা না থাকলে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সঠিক উপায় পেতাম না। ’
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর—ই—আলম চৌধুরী।

তিনি আরো বলেন, এই মহামারী করোনা আসার পরে সবাই সাহসের সাথে ভূমিকা রেখেছে। অবস্যই সাংবাদিকদের ভূমিকাও প্রশংসা করার মত। কারন আমার এলাকাই বাংলাদেশের প্রথম লকডাউন হয়েছে শিবচর। সেই সময় প্রচার প্রচারনাসহ বিভিন্ন কাজে সাংবাদিকদের সাহায্য আমরা পেয়েছি। যেই কারনে মনে করি এখন আমরা অনেকটাই ভাল পর্যায়ে চলে এসেছি। তবে বর্তমানে বন্যা ও নদী ভাঙ্গন বেশি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে যেমন বাংলাদেশ হতো না তেমন শেখ হাসিনার জন্ম না হলে আমরা একটি উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখতে পারতাম না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাসসহ অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ উন্নত দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার ফলে যে কোনো দুর্যোগের সময় সাংবাদিকদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এই সময়ে কিছু কিছু সংবাদপত্র বন্ধ করাসহ কর্মক্ষম মানুষকে চাকরিচ্যুত করা দুঃখজনক।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপুর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

---------

العربيةবাংলাEnglishहिन्दी